যে কোনো সময় লেখা পোস্ট করা যায় । লিঙ্ক - https://webtostory.com/to-post-the-text/

কলকাতা বইমেলা – মাধব মন্ডল

 

মাধব মন্ডল


বইমেলার প্রথমদিন ভালমন্দতে কাটল, আসুন একটু টাইম মেসিনে চড়ি, মেলার ইতিহাসে একটু চোখ রাখি।

১৯৭২ সালের নয়া দিল্লির বিশ্ব বইমেলা আজকের কলকাতা বইমেলা শুরুর অনুপ্রেরণা যোগায়, ১৯৭৪ সালে কলকাতার অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের চত্বরে ন্যাশানাল বুক ট্রাস্ট ( এন বি টি) একটি জাতীয় বইমেলার আয়োজন করে, যৌথভাবে সঙ্গে ছিলেন ইউ এন ধর অ্যান্ড ধরের মালিক বিমল ধর, এর আগে এই সংস্থাই ১৯৬০ সালে মুম্বাইতে প্রথম জাতীয় বইমেলা আয়োজন করেছিল, করেছিল চেন্নাইতেও। ১৯৭৫ সালে বিমল ধরের নেতৃত্বে ১৪ টি প্রকাশক ও বিক্রেতা সংস্থা নিয়ে গড়ে ওঠে আজকের বইমেলার আয়োজক সংস্থা ‘ পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড’।

প্রথম মেলাটির নাম ছিল ‘ কলিকাতা পুস্তকমেলা’ ইংরাজিতে ‘ ক্যালকাটা বুক ফেয়ার’, ৫ মার্চ শুরু হয়েছিল সেন্ট পলস ক্যাথিড্রালের উল্টোদিকের মাঠে যেখানে এখন মোহরকুঞ্জ উদ্যান গড়ে উঠেছে, উদ্বোধক ছিলেন আমাদের রাজ্যপাল ডায়াস, আজকে মেলা যে এত জনপ্রিয়, তার শুরু ১৯৭৮ সাল থেকে, সেবার মেলা বসেছিল রবীন্দ্র সদনের বিপরীতের ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল সংলগ্ন মাঠে, এটিও এখন মোহরকুঞ্জের মধ্যে পড়েছে, এই মেলায় একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসে আনন্দবাজার পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক অশোককুমার সরকার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন, রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে মৃত্যুর কোলে লুটিয়ে পড়ার ছবি অনেকের স্মৃতিতে এখনও আছে, তাঁর স্মৃতিতে ১৯৮৪ বইমেলা থেকে ‘ অশোককুমার সরকার ‘ স্মৃতি বক্তৃতা চালু হয়েছে।

১৯৮০ সালে ডিসেম্বরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সমান্তরাল আরেক একটি বিমেলা চালু করে, এখন থেকে লাইব্রেরিগুলো বই কিনতো, এর নাম ছিল ‘ পশ্চিমবঙ্গ গ্রন্থমেলা ‘, ১৯৯৪ সালে এটি বন্ধ করে দেয় সরকারই।

১৯৮৪ সালে বইমেলা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।

১৯৯৭ সাল বইমেলার ইতিহাসে একটা ভয়াবহ দিন, আগের বছর আমি কালান্তরের রিপোর্টার হিসাবে বইমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠান কভার করেছিলাম, সেবার ঐতিহাসিক তপন রায়চৌধুরী বইমেলার উদ্বোধন করেছিলেন, এবার এলেন জাঁক দেরিদা, রমরমিয়ে মেলা চলছে, হঠাৎ একদিন আগুন লেগে গেল, ভয়াবহ ঘটনায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হল, মারা গেলেন এক দর্শনার্থী যতীন শীল, তাঁর স্মরণে প্রতিবছর মেলায় বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আগে দু’মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

২০০১ থেকে মেলার নাম পরিবর্তন হয়ে হয় ‘ কলকাতা পুস্তকমেলা ‘ ইংরাজিতে ‘ কলকাতা বুক ফেয়ার ‘, পরিবেশ মামলায় হেরে মেলা ২০০৭ সালে সরে আসে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে, ২০০৮ সালে আবার এরকম একটা মামলায় হার হয় গিল্ডের, মেলা বন্ধ হয় উদ্বোধনের আগের দিন, পরে রাজ্য ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তর ও গিল্ড মিলে ‘ বইমেলা – ২০০৮ ‘ আয়োজন করে, ২০০৯ এ বইমেলার নাম আবার বদলানো হয়, নাম হয় ‘ আন্তর্জাতিক কলকাতা পুস্তকমেলা ‘, মেলাও সরে আসে সায়েন্স সিটির উল্টোদিকে অত্যাধুনিক মিলনমেলা প্রাঙ্গণে।

মেলায় বিশেষ তথ্যপ্রযুক্তি চত্বর ২০০০ সালে চালু হয়, ২০০১ সালে কলকাতার প্রথম ই-বুক মেলায় উদ্বোধন করেন নবনীতা দেবসেন, যিনি সদ্যপ্রয়াত হয়েছেন এবং এবছর বইমেলায় তাঁর নামে একটি হল ( হল নং ২) তৈরি করা হয়েছে, অাগুন লাগার পরের বছর থেকেই মেলায় আলাদা জায়গায় ফুড পার্ক করা হয়েছে।

কলকাতা বইমেলা বিশ্বের বৃহত্তম অবাণিজ্যিক বইমেলা, এখানে ফ্রাঙ্কফুর্ট বা লন্ডন বইমেলার মতো বই প্রকাশ, পরিবেশন ও অনুবাদ সংক্রান্ত কোনো চুক্তি বা ব্যবসাবাণিজ্য হয় না, এখানে প্রকাশক পাঠক সরাসরি সম্পর্কে জড়িয়ে, তাই এটি ‘ বাঙালির চতুর্দশ পার্বণ ‘।

এবারের বইমেলা ৪৪তম, ৬০০ টির মতো স্টল আছে, দু’টি বড় হল ও একটি অডিটরিয়ামও আছে, আছে সুদৃশ্য গেট, এদের সংখ্যা ৯ টি, রঙ বিভাগ করে স্টলগুলো সাজানো হয়েছে, নীল, লাল, সবুজ, হলুদ এভাবে, প্রতিদিন বিশেষ করে রাশিয়ার সাহিত্যিকরা মেলায় আসবেন।

সুরক্ষার বিষয়ে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, প্লাস্টিকের বদলে পরিবেশ বান্ধব ব্যাগের ব্যবস্থা হচ্ছে, করুণাময়ী, শিয়ালদা ও হাওড়া থেকে অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা রয়েছে, রয়েছে জেলা থেকে অতিরিক্ত বাসও।

গতকাল গিরিশ করনাড হল ( ১নং) ও নবনীতা দেবসেন হলে ( ২ নং) ঢোকা হয় নি, এপাশে শিশু বইমেলারও দিকে ঢোকা হয় নি, ওটা বিপদে পড়তে চাই নি বলে, ঘেঁষাঘেষি কাজ চলছে, বিদ্যুৎবাহী তার মেঝেতে ছড়িয়ে, প্লাই কাটা চলছে, হলের মধ্যে বলে ধুলো খুব, আজ একই কারনে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ঢোকা হল না।

হল নং ১ এবং ২ দু’টোতেই কাঠের মেঝে যথেষ্ট শক্তপোক্ত মনে হল না, কেমন যেন চাপে বসে যাচ্ছে, তাহলে ঠাসা ভিড়ে কি হবে? মনকে বলি, না না কিছু হবে না, হুম, ছোট বড় অনেক স্টল আছে, আরিয়াহান্টের মতো চাকুরির পরীক্ষার বইওয়ালাও, বিজ্ঞানের কিছু সংস্থাও আছে।

আজও বিদেশের স্টলগুলিতে বই ঢোকে নি, যদিও কাজ শেষের মুখে, কাল একজন দশাসই বিদেশীকে দেখলাম ছবি তোলায় ব্যস্ত, আজ কাউকেই চোখে পড়লো না, আর বিদেশীনী তো নৈব নৈব চ, ইউবিআই অডিটোরিয়াম রেডি, আর কিছুক্ষণ পরেই উদ্বোধন, ছোটরা গানের রিহার্সালে ব্যস্ত, একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত আরেকজনকে গেটের মুখে বলছেন, আরে এই গরমে এসি ছাড়া চলবে কি করে? দেখুন দেখুন…..

অডিটোরিয়ামের পাশেই গিল্ডের অফিস, সামনে অনেকটা ফাঁকা, চারদিকে পুলিসে পুলিসে ছয়লাপ, সাদা পোষাকেও, দু’জনের ভুঁড়ি দেখে খুব বিস্ময় জাগলো, এরা কি আর শরীর চর্চা করেই না! তাড়া খেলে তো পালাতেও পারবে না, বেঘোরে প্রাণটাই যাবে, আজ দুপুর থেকেই বইমেলার ভিতর এবং বাইরের এলাকা পুলিসে মুড়ে ফেলা হয়েছে, উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী আসছেন যে,

তাঁর সময়েই উদ্বোধন করতে হচ্ছে, একদিন আগেই, আমজনতার জন্যে কাল থেকে মেলা খোলা, চব্বিশ বছর আগেকার কথা মনে পড়ছে, সেবার দৈনিক কালান্তরের এডুকেশন বিটের রিপোর্টার হিসাবে এসেছি, তখন গিল্ডের দায়িত্বে ছিলেন অনিল আচার্য, এতবছর পর বইমেলায় আবার পা রাখলাম নিজের খেয়ালে, সেদিনও অনাবশ্যক আবেগ ছাড়া, আজও।

এগিয়ে যাই ধীর পদক্ষেপে, চেনা পরিচিত খুঁজি, সামনাসামনি আলাপহীন, ফেসবুকে থাকা দু’একজনকে দেখি, স্টল গোছাতে ব্যস্ত, এগোই, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্টলে বই ঢুকছে, আজকালের কেতাদুরস্ত স্টলও সেজে উঠেছে, পশ্চিমবঙ্গ মন্ডপের সামনে সরকারের প্রচারধর্মী লোকগীতি বাজছে, বাউলগীতিও বলা যায়,

শিল্পীদের পোষাকও বাউলদের মতো, গেরুয়া নয়, হলুদ, পাশেই সরকারি দলের মূখপত্র জাগো বাংলার মন্ডপ, সবার থেকে আলাদা, এদিকে লিটিল ম্যাগাজিন প্যাভিলিয়নে কয়েকটি গোষ্ঠী সাজিয়ে গুছিয়ে তৈরি হচ্ছে, গেটগুলির কাজও শেষ, সন্ধ্যেবেলা সাজানো গোছানো আলোর ঝলকানি, মাননীয় অতিথিগণের জন্যে শেষ প্রসাধন চড়িয়ে স্বাগতম ভঙ্গিতে গদগদ হয়ে দাঁড়িয়ে।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নকে একটু দূর থেকে দেখলে আমাদের পরিচিত কোন সাজানো গোছানো বাড়ি মনে হতে বাধ্য, আর উর্দু একাডেমীর বুক সেলফের কারুকার্য্য মুসলিম শিল্পরীতি মেনেই হয়েছে দেখলে বুঝবেন।

খাবারের স্টলগুলো এখনও চালু হয় নি, যদিও চা কফি ভিতরে বাইরে মিলছে, চলছে ঘুরে ঘুরে চা কফি বিক্রিও।

আগামীকালও যে কাজ শেষ হবে না বুঝে এলাম সেটা।

সম্প্রীতি তোরণ দিয়ে ঢুকে গোটা আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার শেষবেলার প্রস্তুতি দেখলাম, ফটো তুললাম, কিন্তু নেট না থাকায় লাইভ করা গেল না, আগ্রহীদের ঘোরাঘুরি করতে দেখলাম, ত্রিদিপ চট্টোপাধ্যায় ও (মনে হল) চুমকি চট্টোপাধ্যায়ও ঘুরে ঘুরে সব দেখছেন, পৌষালি বিশ্বাস ওনার নিজের স্টলে ( ১৭৬ নং) বইপত্র সাজাচ্ছেন, কীভাবে সাজালে ভাল হবে নির্দেশ দিচ্ছেন, দেখা হল, কথা হল প্রতিভাসের স্টলের কাছে বাতিল কাঠ, প্লাইউডের কারবারি খিদিরপুরবাসীনী মাসীমার সঙ্গে, তারও কত সমস্যা, কত আক্ষেপ!

মেলার পিছন বরাবর বনবিতানের বিশাল ঝিল, কিন্তু ঝিলের এদিকটা পরিস্কার করা হয় না, বড় বড় দামে ভর্তি, তোরণের বামপাশে বিধানচন্দ্র রায়ের মূর্তি, আর ডানপাশে সুইমিংপুল, পরেই বড় বড় দু’টো খেলার মাঠ, একটায় এখন বেবি লিগ চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা চলছে, এর ওপাশে মার্ক্সের আবক্ষ মূর্তি, পরেরটায় ট্রেনিং চলে, মোহনবাগানও এখানে প্র্যাকটিস করত, মইদুল ইসলাম সহ অতীতের অনেক নামী খেলোয়াড় কোচিংও করান, পরেই বনবিতান ঢোকার এপাশের গেট, তারপরেই মূর্তিসহ নজরুল উদ্যান, উল্টোদিকে এককালে জ্যোতিবাবুর সরকারি বাসভবন – ইন্দিরা ভবন, দু’পা পিছনদিকে গেলেই বামদিকে রাজ্যের একমাত্র স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সল্টলেক স্টেট জেনারেল হসপিট্যাল, ডানদিকে সিবিআইসহ কেন্দ্রীয় অফিসগুলো –

সিজিও কমপ্লেক্স, ইন্দিরা ভবনের এক্কেবারে ডানপাশে পূর্বতন সেচ ভবন, বর্তমান নাম নির্মাণ ভবন, এর আর সিজিও এর মাঝে রাজ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর, সিজিও এর মুখোমুখি টেলিফোন অফিস, নির্মাণ ভবনের ডানদিকে বিকাশ ভবন, রাজ্যের শিক্ষাদপ্তরসহ রাজ্য প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল বা স্যাটের অফিস, পিছনে রাজ্য সরকারের দু’টো আলাদা দপ্তর, পাশেই জলসম্পদ ভবন, রাজ্যের সেচ দপ্তরসহ রাজ্য মহিলা কমিশনের অফিস, গায়ে লাগানো বিধাননগর ট্রেজারি, এর পিছনে থানা, থানার পাশে পূর্তভবন, আর তার পিছনে ময়ূখ ভবন, এদিক থেকে জল সম্পদ ভবনের ডানপাশে, বড় বড় কয়েকটা বকুল গাছ মরশুমে ফুলের গন্ধে এলাকা মাতিয়ে রাখে,

এই ভবনের সামনে ২৩৯, সল্টলেক বিবাদিবাগ মিনি, সল্টলেক হাওড়া মিনিবাসের স্ট্যান্ড, এর সামনেই সম্প্রীতি তোরণ, এই গেটের মুখেই সদ্যপ্রয়াত গিরিশ করনাডের নামাঙ্কিত হল (২), বাংলাদেশের বেশ বড় প্যাভিলিয়ন, এরপরই ২য় হল, সদ্যপ্রয়াতা নবনীতা দেবসেনের নামাঙ্কিত, বিদেশী স্টল সারি সারি, পরেই গিল্ডের অফিস, বড় জায়গা জুড়ে আছে আনন্দ পাবলিশার্স, দে’জ , পত্রভারতী, মিত্র এ্যান্ড ঘোষ, সাহিত্য সংসদ, প্রতিভাস ইত্যাদি।

যেতে যেতে পৌঁছে যাবেন লিটিল ম্যাগাজিনের বড় প্যাভিলিয়নে এ মাথায়, দু’পা গিয়ে আর এক সারি স্টল পেরিয়ে লাস্ট গেটে এসে যাবেন, গেট পেরোলেই করুণময়ী বাসস্ট্যান্ড, গায়ে লাগানো আন্তর্জাতিক বাসস্ট্যান্ডও, পরেই সৌরভ গাঙ্গুলি ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্প, এরপর বনবিতানে ঢোকার মূল প্রবেশ পথ, লাগোয়া নেতাজীর মূর্তিসহ উদ্যান, উল্টোদিকে রবি ঠাকুর,

মেলার করুণাময়ী গেটের উল্টোফুটে আছে পরপর চারটে অফিস – মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ( নিবেদিতা ভবন) , এর পিছনে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ( বিদ্যাসাগর ভবন) , সংসদের উল্টোফুটে ইপিএফ ও ডেয়ারি বোর্ড, এখন থেকে ক’পা গেলেই প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ, মাধ্যমিক বোর্ডর গায়ে বিদ্যুৎ ভবন, তার গায়ে এইচ এস বি সি ব্যাঙ্ক, একটা বড় প্লট ফাঁকা, গাড়ি রাখার জন্যে এখন পরিস্কার করা, এর গায়েই সিএমডিএ, আগের কেএমডিএর, অফিস।

হাতে সময় নিয়ে আসুন, বনবিতানে ঘুরতে বা কয়েক মিনিট দূরের সিটি সেন্টারে কেনাকাটি বা সিনেমা দেখতে পারেন, এখানেই আছে রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবন, এখানেই ঐ দেখা যায় মূর্তিসহ বিবেকানন্দ উদ্যান।

#banglasahitya #bangladesh #storyandarticle



মাধব মন্ডল




Post a Comment